শনিবার ৩ অক্টোবর ২০২৬ - ১২:৩৬
আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি কি গুলু?

হাওজা নিউজ এজেন্সি / আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টিতে বিশ্বাস-অর্থাৎ আল্লাহর প্রথম সৃষ্টি ছিল রাসূলুল্লাহ (সা.) ও আহলে বাইতের (আ.) নূর এবং অন্যান্য সব সৃষ্টিকে তাঁদের নূর থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে-এ বিশ্বাস কি গুলু (অতিরঞ্জন)-এর অন্তর্ভুক্ত?

সংক্ষিপ্তসার

শিয়া ও সুন্নি উভয় সূত্রের নির্ভরযোগ্য বর্ণনাসমূহে অন্যান্য সৃষ্টির পূর্বে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও আহলে বাইতের (আ.) নূরানী সৃষ্টির বিষয়টি সমর্থিত হয়েছে। শিয়া মনীষীরাও এটিকে গুলু বা অতিরঞ্জন হিসেবে গণ্য করেননি। এই মর্যাদা সৃষ্টির ব্যবস্থায় তাঁদের বিশেষ অবস্থান এবং আল্লাহপ্রদত্ত অনুগ্রহের নিদর্শন; এটি শিরক বা নিন্দনীয় অতিরঞ্জন নয়।

উত্তর:

বিষয়টির উপস্থাপন

শিয়া রেওয়ায়েতসমূহে আহলে বাইত (আ.)-এর যে উচ্চ মর্যাদাগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তার অন্যতম হলো ‘নূরানী সৃষ্টি’ (خلقت نوری)। এসব রেওয়ায়েত অনুযায়ী, মহান আল্লাহ সর্বপ্রথম যে সত্তা সৃষ্টি করেছেন, তা হলো মহানবী (সা.) ও তাঁর আহলে বাইতের (আ.) নূর। আসমান-জমিন, ফেরেশতা এবং অন্যান্য সৃষ্টির পূর্বেই এই নূর সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং সমগ্র সৃষ্টি সেই নূরের বরকত ও ফয়েজের মাধ্যমে অস্তিত্ব লাভ করেছে।

কিন্তু এই বক্তব্য কি নির্ভরযোগ্য ইসলামী সূত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই উত্তরে হাদিস, শিয়া ও সুন্নি আলেমদের মতামত এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দলিল পর্যালোচনার মাধ্যমে এই সংশয়ের জবাব দেওয়া হবে।

১. শিয়া সূত্রে নূরানী সৃষ্টির রেওয়ায়েত

শিয়াদের নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোতে আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টির মূল বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিতকারী বহু রেওয়ায়েত রয়েছে। এসব রেওয়ায়েত কেবল গুলাতদের মাধ্যমে বর্ণিত হয়নি; বরং শিয়াদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও আলেমগণও নির্ভরযোগ্য সনদে তা বর্ণনা করেছেন।

ক) শায়খ কুলাইনি (রহ.)-এর আল-কাফিতে রেওয়ায়েত

শায়খ কুলাইনি (মৃত্যু ৩২৯ হিজরি) তাঁর আল-কাফি গ্রন্থে আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি সম্পর্কে ৭টি হাদিস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে তিনি নিজ সনদে ইমাম বাকির (আ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বপ্রথম যে জিনিস সৃষ্টি করেছেন, তা হলো মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর ইতরাত (আহলে বাইত)। তাঁরা আল্লাহর কাছে নূরানী অবয়ব হিসেবে ছিলেন।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘অবয়ব (আশবাহ) বলতে কী বোঝানো হয়েছে?’

তিনি বললেন: নূরের ছায়া; রূহবিহীন নূরানী দেহ, যা রূহুল কুদুস দ্বারা সমর্থিত ছিল। তাঁরা এবং তাঁদের ইতরাত এর মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করতেন... আল্লাহ তাঁদের এমন অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন যে তাঁরা ছিলেন সহনশীল, জ্ঞানী, নেককার এবং মনোনীত-যাঁরা নামাজ, রোজা, সিজদা, তাসবিহ ও তাহলিলের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করতেন। [১]

এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এই হাদিসের বক্তব্যে বিশেষ মর্যাদা আহলে বাইতের (আ.) জন্য প্রমাণিত হয়েছে এবং তাঁদের মনোনীত ও নির্বাচিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

খ) শায়খ সাদুক (রহ.)-এর রেওয়ায়েত

শায়খ সাদুক (মৃত্যু ৩৮১ হিজরি) গুলু ও গুলাতদের অন্যতম কঠোর বিরোধী হিসেবে পরিচিত। তিনি আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি সম্পর্কে সাতটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

উদাহরণস্বরূপ, তিনি নিজ সনদে ইমাম সাদিক (আ.) থেকে বর্ণনা করেছেন: আল্লাহ সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করার চার হাজার বছর পূর্বে চৌদ্দটি নূর সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁরা হলেন মুহাম্মদ (সা.), আলী (আ.), ফাতিমা (সা.), হাসান (আ.), হুসাইন (আ.) এবং হুসাইন (আ.)-এর বংশধর ইমামগণ। তাঁদের সর্বশেষ হলেন কায়েম (ইমাম মাহদি)। [২]

গ) শায়খ তুসি (রহ.)-এর রেওয়ায়েত

শায়খ তুসি (মৃত্যু ৪৬০ হিজরি)ও আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি সম্পর্কে আটটি রেওয়ায়েত উল্লেখ করেছেন।

এর মধ্যে তিনি মহানবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে, আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইনকে আদমের সৃষ্টির পূর্বেই সৃষ্টি করেছেন-যখন কোনো নির্মিত আকাশ ছিল না, কোনো বিস্তৃত পৃথিবী ছিল না, অন্ধকার ও আলো ছিল না, সূর্য ও চাঁদ ছিল না এবং জান্নাত ও জাহান্নামও ছিল না। [৩]

ঘ) অন্যান্য আলেম

এছাড়াও আল্লামা হিল্লি, শায়খ মুফিদ, সাইয়্যেদ হাশিম বাহরানি, কুতুব রাওয়ান্দি, আল্লামা মাজলিসি প্রমুখ বিশিষ্ট আলেমও এসব রেওয়ায়েত উদ্ধৃত করেছেন। তাঁদের কেউই এসব বক্তব্যকে গুলু হিসেবে গণ্য করেননি। [৪]

২. আহলে সুন্নাতের আলেমদের দ্বারাও এসব রেওয়ায়েত উদ্ধৃত

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব রেওয়ায়েত কেবল শিয়া সূত্রে সীমাবদ্ধ নয়। আহলে সুন্নাতের ৬১ জন বিশিষ্ট আলেমও মহানবী (সা.) ও আলী (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি সম্পর্কিত হাদিস বর্ণনা করেছেন।

তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আহমদ ইবনে হাম্বল (মৃত্যু ২৪১ হিজরি), ইবনে মারদুয়াইহ (মৃত্যু ৪১০ হিজরি), আবু নু‘আইম ইসফাহানি (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি), খতিব বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি), ইবনে আসাকির, কিনজি শাফেয়ি (মৃত্যু ৬৫৮ হিজরি), মুহিব্বুদ্দিন তাবারি (মৃত্যু ৬৯৬ হিজরি) এবং ইবনে হাজার আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)।[৫]

উদাহরণস্বরূপ, কিনজি শাফেয়ি মহানবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি ও আলী আল্লাহর কাছে নূররূপে ছিলাম এবং সেই নূর আল্লাহর তাসবিহ ও পবিত্রতা ঘোষণা করত। [৬]

মুহিব্বুদ্দিন তাবারিও মহানবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: আদমের সৃষ্টির চৌদ্দ হাজার বছর পূর্বে আমি ও আলী আল্লাহর কাছে নূররূপে ছিলাম। অতঃপর আল্লাহ যখন আদমকে সৃষ্টি করলেন, তখন সেই নূরকে দুই অংশে বিভক্ত করলেন-এক অংশ আমি এবং অপর অংশ আলী। [৭]

আহলে সুন্নাতের আলেমদের মাধ্যমে এসব রেওয়ায়েত উদ্ধৃত হওয়া-এ বক্তব্যের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; কারণ তাঁরাও মহানবী (সা.) থেকে এসব কথা বর্ণনা করেছেন এবং এগুলোকে গুলু হিসেবে উল্লেখ করেননি।

৩. কুরআন ও হাদিসের সমর্থক ইঙ্গিত

সুস্পষ্ট রেওয়ায়েতগুলোর পাশাপাশি এমন কিছু আয়াত ও হাদিসও রয়েছে, যেগুলো আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টির ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।

মুবাহালা ও তাতহিরের আয়াত

মুবাহালার আয়াত[৮] এবং তাতহিরের আয়াত[৯]-এর মতো আয়াতগুলো আহলে বাইত (আ.)-এর বিশেষ মর্যাদার প্রমাণ বহন করে এবং তাঁদের নূরানী মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মহানবী (সা.)-এর নূর সম্পর্কিত হাদিস

হাকিম নিশাপুরি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মহানবী (সা.) আলী (আ.)-কে বলেছেন: হে আলী! মানুষ বিভিন্ন বৃক্ষ থেকে এসেছে; আর আমি ও তুমি একই বৃক্ষ থেকে। [১০]

এছাড়া খতিব খাওয়ারিজমি বর্ণনা করেছেন যে, মেরাজের রাতে আল্লাহ মহানবী (সা.)-কে বলেছেন: আমি তোমাকে আমার নূর থেকে সৃষ্টি করেছি এবং আলীকে তোমার নূর থেকে সৃষ্টি করেছি। [১১]

এসব রেওয়ায়েত মহানবী (সা.) ও আলী (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টির প্রতি স্পষ্ট ইঙ্গিত করে বলে গ্রন্থটিতে দাবি করা হয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) ও তাঁদের অনুসারীদের মধ্যে আত্মিক নৈকট্য

ইমাম সাদিক (আ.) বলেছেন: আল্লাহ আমাদের ইল্লিয়্যিন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদের রূহ তারও ঊর্ধ্বস্থান থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমাদের অনুসারীদের রূহ ইল্লিয়্যিন থেকে এবং তাদের দেহ তার নিম্নতর স্থান থেকে সৃষ্টি করেছেন। এ কারণেই আমাদের ও তাদের মধ্যে আত্মীয়তা রয়েছে এবং তাদের অন্তর আমাদের প্রতি আকৃষ্ট। [১২]

গুলু বা অতিরঞ্জন হওয়ার সংশয়ের জবাব

ক) গুলুর অর্থ হলো বাস্তবতাবহির্ভূত অতিরঞ্জন

গুলু বলতে এমন কোনো বিষয়ে অতিরঞ্জন বোঝায়, যার প্রকৃত ভিত্তি নেই। কিন্তু আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টি সম্পর্কে যে বক্তব্য রয়েছে, তা মহানবী (সা.) ও আহলে বাইত (আ.)-এর কাছ থেকে বর্ণিত হয়েছে এবং শিয়া ও সুন্নি উভয় সম্প্রদায়ের সূত্রে তা লিপিবদ্ধ হয়েছে।

অতএব, এই বক্তব্য অনুযায়ী, এর প্রতি বিশ্বাসকে গুলু নয়; বরং রেওয়ায়েতভিত্তিক একটি বিষয় গ্রহণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

খ) ইলমে লাদুন্নি ও আল্লাহর সত্তাগত জ্ঞানের পার্থক্য

ইমামগণ (আ.) তাঁদের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলোকে আল্লাহ থেকে স্বতন্ত্র ও সত্তাগত বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করেননি; বরং এগুলোকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দান ও অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা কখনো নিজেদের আল্লাহর থেকে স্বাধীন মনে করেননি এবং তাঁদের সকল মর্যাদাকে আল্লাহর অনুগ্রহ ও দান হিসেবে গণ্য করেছেন।

গ) শিয়া আলেমদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা

উল্লিখিত হয়েছে যে, বিভিন্ন যুগের বিশিষ্ট শিয়া আলেম-যাঁদের চিন্তাধারা ছিল রেওয়ায়েতভিত্তিক, যুক্তিবাদী, দার্শনিক ও কালামভিত্তিক-তাঁরা এসব বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন এবং তাঁদের কেউই এই বক্তব্যকে গুলু হিসেবে গণ্য করেননি।

এমনকি গুলুর অন্যতম কঠোর বিরোধী শায়খ সাদুকও এসব বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। অতএব, এসব বর্ণনাকে সহজেই গুলাতদের প্রতি আরোপ করা যায় না।

ঘ) আহলে সুন্নাতের আলেমদের রেওয়ায়েত

আহলে সুন্নাতের বহু আলেম এসব রেওয়ায়েত উদ্ধৃত করেছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, এই বক্তব্য কেবল শিয়া মতবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ইসলামী ঐতিহ্যের বিভিন্ন সূত্রেও এর উল্লেখ রয়েছে।

উপসংহার

শিয়া ও সুন্নি উভয় সূত্রে বর্ণিত বিভিন্ন হাদিস এবং উভয় সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট আলেমদের দ্বারা এসব রেওয়ায়েতে ব্যাপক উদ্ধৃতির ভিত্তিতে, আহলে বাইত (আ.)-এর নূরানী সৃষ্টিতে বিশ্বাসকে গুলু বা অতিরঞ্জনের অন্তর্ভুক্ত নয়-এমন মত উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই মর্যাদা সৃষ্টির ব্যবস্থায় আহলে বাইত (আ.)-এর মহান অবস্থান এবং আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের পরিচায়ক। তাঁদের এই মর্যাদা অস্বীকার করাকে গ্রন্থটিতে তাঁদের অধিকারের ক্ষেত্রে এক ধরনের ত্রুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

গুলু তখনই সংঘটিত হয়, যখন দলিলভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সীমারেখার বাইরে গিয়ে আহলে বাইতের (আ.) জন্য অতিরঞ্জিত মর্যাদা সাব্যস্ত করা হয়। কিন্তু নির্ভরযোগ্য রেওয়ায়েতের কাঠামোর মধ্যে নূরানী সৃষ্টি স্বীকার করা গুলু নয়; বরং এটি ইমামতের মর্যাদা গভীরভাবে উপলব্ধি এবং আহলে বাইতের প্রতি ঈমানকে শক্তিশালী করার মাধ্যম-এমনটাই এই আলোচনার উপসংহার।

সূত্রসমূহ

[১] আল-কাফি, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪৪২।

[২] কামালুদ্দিন ও তামামুন নি‘মাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৩৫।

[৩] আল-আমালি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৮৬; বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ১৫, পৃষ্ঠা ১০।

[৪] গায়াতুল মারাম, পৃষ্ঠা ৮–১৩; ইরশাদুল কুলুব, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৯৩; বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ২৫, পৃষ্ঠা ২–১৪।

[৫] তাযকিরাতু খাওয়াসিল উম্মাহ, পৃষ্ঠা ৪৬; মানাকিবে আমিরুল মুমিনিন, পৃষ্ঠা ৮৮।

[৬] কিফায়াতুত তালিব, পৃষ্ঠা ৩১৪–৩১৯।

[৭] আর-রিয়াদুন নাদিরাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২১৭।

[৮] সূরা আলে ইমরান, আয়াত ৬১।

[৯] সূরা আহযাব, আয়াত ৩৩।

[১০] আল-মুস্তাদরাক, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৪১।

[১১] মানাকিব, পৃষ্ঠা ৩৬।

[১২] আল-কাফি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৮৯।

লেখা: মজিদুল ইসলাম শাহ

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha